প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ (পিসিএসবি)-এর সবচেয়ে বড় প্রকল্প ‘মমতাময় কড়াইল’। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে তৃণমূল পর্যায়ে গণমানুষের কাছাকাছি প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কড়াইল বস্তিতে প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০১৫ সালে। বার্ধক্য এবং নিরাময় অযোগ্য রোগে আক্রান্ত বয়স্ক মানুষদের ভোগান্তি কমানো ছিলো উদ্দেশ্যে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড হসপিস প্যালিয়েটিভ কেয়ার এলায়েন্স (ডব্লিউএইচপিসিএ) এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে সমাজভিত্তিক সম্পৃক্ততায় গড়ে উঠে এই কর্মকান্ড। প্রকল্পের অর্থায়ন এবং সময়কাল শেষ হলে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী সম্পূর্ন দায়িত্ব গ্রহণ করে পিসিএসবি, যার মূল অর্থের উৎস যাকাত এবং সাধারণ অনুদান।
বাংলাদেশে বস্তির সংখ্যা প্রায় ১৪,০০০, যেখানে প্রায় ১৮ লাখ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বস্তি ‘কড়াইল’, রাজধানীর অভিজাত গুলশান, বনানীর এলাকার পাশে গড়ে উঠেছে। সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি, তবে স্থানীয় তথ্যসূত্র অনুসারে প্রায় ৪,৫০,০০০ লক্ষ মানুষের বসবাস, এদের মধ্যে ৪০,০০০ শিশু।
মমতাময় প্রকল্পের অধীনে চলমান কার্যক্রম:
১। বয়স্ক এবং শিশু প্যালিয়েটিভ সেবা কার্যক্রম
২। রেসপাইট কেয়ার ‘আনন্দ প্রোগ্রাম’
৩। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা
বহির্বিভাগ সেবা
কমিউনিটি আই কেয়ার
কমিউনিটি স্কিন কেয়ার
৪। উঠান বৈঠক (সচেতনতা মূলক কার্যক্রম)
৫। আশা কমিউনিটি শপ
প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ একটি দাতব্য, অলাভজনক এবং অরাজনৈতিক সংস্থা যা বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত। এর লক্ষ্য হল দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশব্যাপী প্যালিয়েটিভ কেয়ার প্রতিষ্ঠা এবং বিকাশ করা।
প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ (পিসিএসবি) সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধিত (নং ঢ-০৯০৩০), টিআইএন: ৩৪৪২৩৩৩২৯০৭৯ এবং এনবিআর-এর ২৬ মে ২০২৫ তারিখের এস.আর.ও নং ১৫০-আইন/ আয়কর ০৫/২০২৫ অনুযায়ী আয়কর রেয়াতপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। এটি নিয়মিত অডিটকৃত; সম্পূর্ণ অবৈতনিক কার্যনির্বাহী পর্ষদ দ্বারা পরিচালিত।